
দৈনিক দিনরাতঃ
।
সিলেটের কানাইঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন খাতের টাকা, ভূয়া বিল-ভাউচার দিয়ে উত্তোলনের ঘটনায় সম্প্রতি বেশ কয়েকজন বাদি হয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী ও নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খানের বরাবরে লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভায় হাসপাতালের বিভিন্ন খাতের টাকা আত্মসাতের বিষয়ে যেসব অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তা তদন্ত করে দেখার জন্য কমিটির অধিকাংশ সদস্যরা বিষয়টি সভায় উত্থাপন করেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অভিযোগগুলো তদন্ত করে পরবর্তী সভায় উত্থাপন করার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
কমিটির সদস্যরা হলেন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল হারিছ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জিলানী, দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ আহমদ, দিঘীরপাড় ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আফতাব উদ্দিন।
উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মোমিন চৌধুরী ও নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খান জানান, হাসপাতালের টাকা আত্মসাত সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তা তদন্ত করে বিষয়টি দেখার প্রয়োজন রয়েছে। এ লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা অভিযোগের বিষয়বস্তু তদন্ত করে যে প্রতিবেদন আমাদের কাছে দাখিল করবেন, সেই আলোকে ব্যবস্থা নিবেন কর্তৃপক্ষ।
সংগ্রহীত