, ,

জগন্নাথপুরে কলকলিয়া–বালিকান্দী সড়কের কাজে ধীরগতি, জনগণের ভোগান্তি

admin
প্রকাশিত November 18, 2020, 10:29 AM
জগন্নাথপুরে কলকলিয়া–বালিকান্দী সড়কের কাজে ধীরগতি, জনগণের ভোগান্তি

 

মোঃ হুমায়ুন কবীর ফরীদি, জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথপুরের কলকলিয়ায় একটি গ্রামীণ সড়কের নির্মাণ কাজ দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলেও আবারও বন্ধ রয়েছে। জনমনে একটাই প্রশ্ন জন দুর্ভোগ লাগবে এই সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হতে আর কতদিন।
জানাযায়, পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান মহোদয়ের প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত কলকলিয়া বাজার পয়েন্ট হইতে কলকলিয়া -মোকামপাড়া ও বালিকান্দী গ্রামবাসীর(বালিকান্দী গ্রামের ভিতরের সড়ক) চলাচলের সড়ক বালিকান্দী গ্রাম নিবাসী আব্দুল হাসিম মেম্বার এর বাড়ীর ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার পাকা করনের কাজ করছে সুনামগঞ্জের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ। ২০১৮ সালের শেষ দিকে এই সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও আজ অবদি এই নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। সড়কের ওপর ইটের কোয়া (সুরকী) ফেলে রাখায় এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল না করায় জীবন জীবিকার তাগিদে এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী কলকলি,মোকামপাড়া ও বালিকান্দী গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে পড়েছেন। এমনকি অন্যান্য অঞ্চল থেকে যানবাহন যোগে অত্র এলাকায় আসা মানুষ বিপাকে পড়ছেন হরহামেশা। ২০১৮ সালের শেষের দিকে নানা অজুহাতে থেমে থেমে কাজ চললেও দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সচেতনতা রোধে ও বন্যার কারণে এই সড়কের চলমান কাজ বিগত মার্চ মাস থেকে বন্ধ থাকার পর দীর্ঘ প্রায় ৭ মাস পর সড়কের কাজ পূনঃরায় চাল হলেও বিগত প্রায় ১ মাস ধরে আবারো কাজ বন্ধ রয়েছে।
আজ ১৯ শে নভেম্বর রোজ বুধবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এই সড়কের ওপর ফেলে রাখা ইটের কোয়া ধারালো অস্ত্রের মত দাঁড়িয়ে আছে। অতি কষ্টে জনসাধারণ চলাচল করছেন। ইটের কোয়ার আঘাতে অনেক পথচারীর পায়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। জনমনে একটাই প্রশ্ন এই সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হতে আর কতদিন লাগবে।
এই সড়কের কাজের দায়িত্বে থাকা লাইন সুপারভাইজার মোঃ ইমদাদুল হক মিলন বলেন, করোনার ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতার লক্ষে ও বন্যার কারণে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ ছিল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন ২০/২১ তারিখ কাজ শুরু করব। অসুবিধা লাগবে বেশী শ্রমিক খাঁটিয়ে দ্রুততার সহিত কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন। তিনি আশাবাদী দশ- পনের দিনের মধ্যে কার্পেটিং সহ পুরো কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।
এই কাজ সম্পর্কে এক্সিম ব্যাংক জগন্নাথপুর শাখার ম্যানেজার বালিকান্দী গ্রাম নিবাসী মোঃ তালিমুল ইসলাম, মোকামপাড়া নিবাসী মোঃ কাদির মিয়া, স্কুল শিক্ষিকা ফাতেমা জাহান ও কলকলিয়া গ্রামের লুকেশ বাবু সহ একাধিক ব্যাক্তি তাদের অভিপ্রায় ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন, মাত্র দুই কিঃ মিঃ সড়কের নির্মাণ কাজ প্রায় দেড় বছর ধরে থেমে থেমে চলছে। আজো অবদি কাজ শেষ হচ্ছেনা। এই সড়ক দিয়ে বর্ষায় কাঁদা পানি মারিয়ে দিনের পর দিন তিনটি গ্রামের স্কুল -কলেজ ও মাদ্রাসাগামী ছাত্র -ছাত্রী ও লোকজন যাতায়াত করে আসছি। পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান মহোদয়ের প্রচেষ্টায় সড়কটি পাকাকরণ হচ্ছে। ইটের কোয়া সড়কের ওপর দীর্ঘ দিন ধরে থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক সময় অনেকেই ইটের কোয়ার সাথে পায়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে রক্তাক্ত হচ্ছেন। এই কাজ শেষ হতে আর কতদিন। আমাদের দুর্ভোগ লাগবে সড়কের নির্মাণ কাজ দ্রুততার সহিত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বস্তর কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্ট কামনা করছি।