
অমৃত জ্যোতি(ধর্মপাশা,সুনামগঞ্জ)::
সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় বেশীরভাগ হাওরে রয়েছে দেশী মাছের প্রজাতী রক্ষায় প্রজননের জন্য পোনা আহরনের পুর্ব পস্তুতি।তবে প্রজননী মৌসুমে (ডিম থেকে বাচ্চা ছাড়ার সময়) বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে হাওরাঞ্চলে প্রশাসনিক উদ্যোগ তেমটা চোখে পড়ে না। এমতাবস্থায় এলাকার সচেতন মহলের দাবী মৎস কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি। কেননা এসময়ে চলে হওরের ডিম ওয়ালা মাছ ও পোনা ধ্বংসের জমকানো মহোৎসব।সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ্ আল জ্যাকব মধ্যনগর থানা চত্বরের এক সেমিনার বলেছেন -এই হাওরাঞ্চলেই হবে “দেশীয় মাছের অভয়াশ্রম”।
দুঃখের বিষয় মধ্যনগরে দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুমে উন্মুক্ত সুমেশ্বরীর নদীর মোহনা গুলিতে বড় বড় ভের জাল পেতে চলে ডিম ওয়ালা দেশীয় রুই,কাতলা,বোয়াল,ঘনিয়া,লাছ,
ঘোলশে,পাবদা,পুটা সহ অসংখ্য নাম না জানা মাছের ধ্বংসের লীলা।শুধু তাই নয় মাছের বাজারে এসময় ষোল ও টাকি মাছের রেনু বা পোনা হাওর থেকে তুলে এনে বাজারে বিক্রি করতেও দেখা মিলে। তবুও দেখা মিলে না মৎস্য সম্পদ অধিদপ্তর নিয়োজিত কতৃপক্ষের।
এবিষয়ে হাওর বাচাঁও আন্দোলন ধর্মপাশা উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আলাউদ্দিন – বলেন মাছে ভাতে বাঙ্গালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে পোনা আহরনের সাথে ডিম ওয়ালা মা মাছ, ষোল, গজার, টাকি মাছের পোনাকেও ধরে রাখতে হবে,তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি অত্যান্ত জরুরী বলে মনে করি।