, ,

শাল্লার টুকচানপুরে নদীর ভাঙ্গনে আতংকে গ্রামবাসী

admin
প্রকাশিত December 31, 2020, 08:00 PM
শাল্লার টুকচানপুরে নদীর ভাঙ্গনে আতংকে গ্রামবাসী

 

এস এম উমেদ আলীঃ শাল্লা থানার হবিবপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী টুকচানপুর গ্রামের অধিবাসীদের মধ্যে নদী ভাঙ্গঁনে রীতিমতো আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা যায়, নদী ভাঙ্গনে টুকচানপুর গ্রামবাসীর ক্ষয়-ক্ষতির হিসেব অনেক পুরনো। নদীর উর্বর পলি আর স্বচ্চ পানিতে সোনালী ফসল ফললেও এই নদীর ভাঙ্গনের ফলে টুকচানপুরের কত মানুষের জায়গা-জমি কেড়ে নিয়েছে তার কোন ইয়াত্তা নেই, জায়গা জমি হারিয়ে অনেকেই আজ অসহায়।

সাম্প্রতিক নদী ভাঙ্গঁন প্রকট আকার ধারন করায় গ্রামবাসী আতংকিত, তাদের ঘরবাড়ী-ভিটেমাটি হারানোর আশংকায় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে।

প্রায় দু-যুগ আগে নদী ভাঙ্গনের মুখে মার্কুলী বাজারের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়লে তড়িৎগতিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে ব্লক ফেলে বাজার রক্ষা করা হয়। বাজারে নদীর গতি রোধ করার ফলে টুকচানপুরের দিকে আরও তীব্রভাবে ভাঙ্গতে শুরু করে খরস্রোতা কুশিয়ারা। বহু মানুষের জায়গা-জমি বিলীনের পর টুকচানপুর গ্রামের অস্তিত্বই এখন হুমকির মুখে।

যুগ-যুগ ধরে ক্ষয়-ক্ষতি সয়ে আসলেও স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজর কাড়তে সক্ষম হয়নি অসহায় গ্রামবাসী। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, মার্কুলীর মতো বড় বাজার না-হতে পারাই টুকচানপুরের একমাত্র অপরাধ। লাগাতার এতো বছর যাবত ক্ষতির মুখে হুমকিতে থাকা গ্রামটিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড এই ভাঙ্গন রোধে উল্লেখযোগ্য কিছুই না-করায় স্বাভাবিকভাবেই জনমনে এই প্রশ্ন খুরপাক খাচ্ছে জনমনে! প্রতি বছরই নদী ভাঙ্গন রোধে বাজেটে বরাদ্ধ আসলে ও কাজ হচ্ছেনা, এ টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে? নেই কি কোন দায় দায়িত্ব স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের?
মাও. বুরহান তালুকদার বলেন,পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের টনক না নড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তাই গ্রামের বাড়ী-ঘর রক্ষায় কালক্ষেপন না করে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখনি আশু পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য আহবান জানান!