
কানাইঘাট প্রতিনিধি: সিলেটের সীমান্তবর্তী কানাইঘাট উপজেলার ২নং লক্ষিপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় ১জন গুরুতর আহত হয়েছেন। জানা যায় গত রবিবার বিকাল অনুমান ৩ ঘটিকার সময় এ ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামের মৃত হাজী সিদ্দেক আলীর ছেলে সৈয়দ আহমদ (৪২) এর স্ত্রী রেজিয়া বেগমকে বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামের মৃত মোছা মিয়ার ছেলে ফয়সল আহমদ দীর্ঘদিন থেকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিষয়টি তার স্বামী সৈয়দ আহমদ অভিযোগে বর্ণিত বিবাদী ফয়সল আহমদের আত্মীয়-স্বজনকে অবহিত করলে তারা আস্বস্থ করেন যে ভবিষ্যতে ফয়সল আহমদ এ ধরনের কাজ আর করবে না। ঘটনার দিন রেজিয়া বেগমের স্বামী সৈয়দ আহমদ তাহার বাড়ীর পাশে কৃষি জমিতে ঘাস কাটতে গেলে এই সুযোগে আগে থেকে উতপেথে থাকা ফয়সল আহমদ সৈয়দ আহমদের বাড়ীতে প্রবেশ করে তার স্ত্রীকে পুনরায় কু-প্রস্তাব দিলে রেজিয়া বেগম তাহাকে বাড়ী থেকে চলে যেতে বলেন, নতুবা আমি চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি অবহিত করিব। ফয়সল আহমদ এ কথা শোনে রেজিয়া বেগমকে দেখাইয়া ছাড়িবে মর্মে হুমকি দিয়ে চলে যায়। রেজিয়া বেগমের স্বামী সৈয়দ আহমদ বাড়ীতে আসিলে ঘটনাটি তার স্বামীকে অবহিত করিলে তিনি ফয়সল আহমদের বাড়ীতে গিয়ে তার আত্মীয়-স্বজনকে উক্ত ঘটনাটি জানাইয়া বিচার প্রার্থী হয়ে তিনি বাড়ীতে ফিরে আসেন। কিচ্ছুক্ষন পর ফয়সল আহমদ ও তার আত্মীয়-স্বজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সৈয়দ আহমদের বাড়ীতে আসিয়া তাকে ডাকা-ডাকি করে ঘর থেকে বাহির করে বাড়ীর গেইটের পাশে এনে কথা কাটাকাটির একপর্যায় ফয়সল আহমদের ভাই জাকির আহমদ তাহার হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সৈয়দ আহমদের মাথায় আঘাত করলে সৈয়দ আহমদ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং তাহার সাথে থাকা অন্যান্যরা এলোপাতাড়ী আঘাত করে চলে যায়। সৈয়দ আহমদের শোর চিৎকারে তার আত্মীয় স্বজন এসে তাকে উদ্ধার করে কানাইঘাট উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করেন।
অপর দিকে আহতের ভাই জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কানাইঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন অভিযোগটি পেয়েছি। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।