
জৈন্তাপুর উপজেলায় কয়েক মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় একটি বাগান এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দারা। ভূমি বন্দোবস্তসহ পাঁচ দফা দাবিতে তাদের এ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বুধবার বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়।
এই কর্মসূচি পালনে এদিন কয়েক হাজার বাসিন্দা রাস্তায় নামেন। তারা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বুধবার বিকেলে জৈন্তাপুর উপজেলা সদরে পাঁচ মৌজার বাসিন্দারা এতে অংশ নেন। বিক্ষোভ মিছিলটি মেঘালয় টি এস্টেট এলাকা থেকে শুরু হয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক ও উপজেলা পরিষদ চত্বর প্রদক্ষিণ করে। পরে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুর থানার সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে মানবন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ২০০ বছর ধরে তাদের কয়েক প্রজন্ম এখানে বসবাস করছেন। সরকার আবেদনের পরও তাদের ভূমির স্থায়ী বন্দোবস্ত না দিয়ে দ্য মেঘালয় টি এস্টেটকে ইজারা দিয়েছে। চা বাগানের ওই অংশের ইজারা বাতিল ও সেখানে বসবাসকারী নাগরিকদের স্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত না দিলে আন্দোলন চলবে।
পাঁচ মৌজার মুরব্বি সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির নাজমুল ইসলামের পরিচালনায় মানবন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন বিলাল, উপজেলা জামায়াত নেতা আমির গোলাম কিবরিয়া, চারিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হেলাল আহমদ, ইউপি সদস্য হাফিজ জালাল আহমদ, রাজনীতিবিদ মুজিবুর রহমান ডালিম, কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
বিএনপি নেতা ও বাগান এলাকার বাসিন্দা বিলাল উদ্দিন সমকালকে জানান, পাঁচ মৌজার মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরবে না। এর আগে ভূমি উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েও কোনো কাজ হয়নি।