
দিনরাত সংবাদ : ভারতের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এখনও পানিতে ভাসছে দিল্লি। চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন রাজধানী শহরের বাসিন্দারা।
বন্যায় বিহারে নতুন করে দুইজনসহ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮২ লাখ মানুষ। উত্তরপ্রদেশের ৮৭৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, ঘরছাড়া অসংখ্য মানুষ।
এদিকে চীনে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।
ভারতের রাজধানী দিল্লির অবস্থা ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত, এতে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। বাধ্য হয়ে অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র স্থান নিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি বেগতিক দিল্লির গুরগাওসহ আশপাশের এলাকা। বৃষ্টি এখনও অব্যাহত থাকায় পানি নামছেই না।
বন্যায় উত্তরপ্রদেশের অন্তত ১৬ জেলার ৮৭৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আবহাওয়া দফতর বলছে, স্বাভাবিকের চেয়ে ১১ গুণ বেশি বৃষ্টি হয়েছে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, বহু মাটির ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে গেছে। পরিবার, গবাদি পশু নিয়ে বিপদে পড়েছেন উত্তর প্রদেশের বন্যা কবলিত জেলার বাসিন্দারা।
লাগাতার ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত বিহার রাজ্যও। এখনও জলমগ্ন ১৬টি জেলা। ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮২ লাখ মানুষ। বিহারের অধিকাংশ নদীতে জল বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। ভেঙেছে রাস্তাঘাট, নদীর পাড়। বিশেষ করে বিহারের উত্তর ভাগের জেলাগুলোতে নতুন করে নেপালে উৎপত্তি হওয়া নদীগুলোর মাধ্যমে হু হু করে পানি ঢুকে পড়ছে। ফলে, ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি।
এছাড়াও, গেল কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বাকুরাসহ কয়েকটি জেলাতেও। আবহাওয়া দফতর জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ভারত ছাড়াও উড়িষ্যা, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, গুজরাট, অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল, রাজস্থান, কর্নাটক এবং কেরালায় ভারী বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। সুত্র: হিন্দুস্তান টাইমস